হাতির জন্য ২০০ বিঘা জমিতে ধান ও ঘাস চাষ!
- Get link
- X
- Other Apps
ভারতের জঙ্গলে হাতি। এএফপি ফাইল ছবিজমিতে ফসল ফলালেই হাতির দল এসে তা তছনছ করে দেয়। তাই এবার হাতির জন্যই আগাম চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাতির খাদ্য জোগাতে ২০০ বিঘা জমিতে ঘাস ও ধান চাষের এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী কাজিরাঙা পার্কসংলগ্ন কার্বি গ্রাম রংহাং হাতিখুলিতে। কাজিরাঙা পার্ক গন্ডার ও হাতির জন্য বিখ্যাত।
ওই এলাকায় প্রতিবছর বর্ষাকালে ধান চাষ করলে হাতির দল এসে ফসল নষ্ট করে দেয়। পাঁচ বছর ধরে এই গ্রামের চাষিরা কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। কিছুতেই হাতিকে রোধ করা যায় না। গত তিন বছরে এই গ্রামে মানুষ-হাতির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় ১৫ জনের। হাতিও মারা যায় ১৫টি।
আজ রোববার সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হাতি থেকে ফসল রক্ষা করতে হাতি বিশেষজ্ঞ প্রদীপ কুমার ভূঁইয়া এবং হাতিবন্ধু বিনোদ বরা এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। জমিতে ফসল উৎপাদনের আগেভাগে চাষিরা হাতির জন্য ২০০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করবেন। এই জমির ধান খাওয়ার পরই হাতি ফিরে যাবে তাদের ডেরায়। এরপরই চাষিরা নিজেদের জন্য জমিতে ধান চাষ করবেন।
আজ রোববার সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হাতি থেকে ফসল রক্ষা করতে হাতি বিশেষজ্ঞ প্রদীপ কুমার ভূঁইয়া এবং হাতিবন্ধু বিনোদ বরা এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। জমিতে ফসল উৎপাদনের আগেভাগে চাষিরা হাতির জন্য ২০০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করবেন। এই জমির ধান খাওয়ার পরই হাতি ফিরে যাবে তাদের ডেরায়। এরপরই চাষিরা নিজেদের জন্য জমিতে ধান চাষ করবেন।
শুধু তা-ই নয়, হাতির জন্য এই জমিতে আসার পথে ৪০ থেকে ৪৫ বিঘা জমিতে লাগানো হবে নাপিয়ের জাতের ঘাস। চলার পথে হাতি খাবে এই ঘাস। এরপরই হাতির জন্য থাকবে ফসলের খেত।
আসামের বন কর্মকর্তা কৌশিক বরুয়া বলেছেন, এই উদ্যোগে সাফল্য পাবে গ্রামবাসী। এতে করে ফসলের জমিতে হাতির অত্যাচার রোধ করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেছেন, হাতির চলাচলের পথে কলাগাছের চেয়ে ঘাস লাগানো বাস্তবসম্মত হবে।
আসামের বন কর্মকর্তা কৌশিক বরুয়া বলেছেন, এই উদ্যোগে সাফল্য পাবে গ্রামবাসী। এতে করে ফসলের জমিতে হাতির অত্যাচার রোধ করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেছেন, হাতির চলাচলের পথে কলাগাছের চেয়ে ঘাস লাগানো বাস্তবসম্মত হবে।

- Get link
- X
- Other Apps
Comments