বাশার আল-আসাদ যে কৌশলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। রয়টার্স ফাইল ছবি
সিরিয়ায় সাত বছরের বেশি সময় ধরে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি এখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী নৃশংস যুদ্ধে বাশার আল-আসাদ কীভাবে, কোন কৌশলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হলেন? এই প্রশ্নের উত্তর যৌথভাবে অনুসন্ধান করেছে বিবিসি প্যানোরমা ও বিবিসি অ্যারাবিক।
বিবিসির অনুসন্ধান বলছে, সিরিয়ায় যুদ্ধজয়ের কৌশলে রাসায়নিক অস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৪ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে কমপক্ষে ১০৬টি রাসায়নিক হামলা হয়েছে।
রাসায়নিক হামলায় আহত এক শিশু ও এক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন। এএফপি ফাইল ছবিরাসায়নিক হামলায় আহত এক শিশু ও এক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন। এএফপি ফাইল ছবিসিরিয়ায় রাসায়নিক হামলাগুলো যে নিশ্চিতভাবে হয়েছে, এ ব্যাপারে বিবিসি যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। অথচ প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তিতে (সিডব্লিউসি) সই করেছিলেন। আর তিনি তাঁর দেশের রাসায়নিক অস্ত্রের ভান্ডার ধ্বংস করতে সম্মত হয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের হুমকি সত্ত্বেও সিরিয়ায় চলমান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রাসায়নিক অস্ত্রের হামলায় দেশটিতে শিশুসহ বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
রাসায়নিক হামলার জন্য পশ্চিমারা বাশার আল-আসাদ সরকারকে দায়ী করে আসছে। কিন্তু বাশার আল-আসাদ রাসায়নিক হামলার দায় বরাবরই বিরোধীদের ওপর চাপিয়ে আসছেন। তাঁর ভাষ্য, ২০১৩ সালে হস্তান্তরের পর থেকে তাঁর সরকারের কাছে রাসায়নিক অস্ত্র আর নেই। 

সিরিয়া সিডব্লিউসিতে স্বাক্ষরের পর থেকে শুরু করে দেশটিতে রাসায়নিক হামলার ১৬৪টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেছে বিবিসি।
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিবিসির অনুসন্ধানী দল দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত যে অন্তত ১০৬টি রাসায়নিক হামলা হয়েছে। হামলার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণও আছে।
প্রথম আলো

Comments

Popular posts from this blog

অবিবাহিত মেয়ের বুকে দুধ, এই ভিডিওটি অবশ্যই একা একা দেখবেন !

স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে আর দেখা হলো না ইউসুফের

ম্যারাডোনা এখন কলকাতায়